কলকাতা শুক্রবার, ০২ জুন ২০২৩ |
K:T:V Clock

Banning Polygamy | অসমে বহু বিবাহ বন্ধে উদ্যোগ সরকারের

Updated : 11 May, 2023 2:26 PM
AE: Hasibul Molla
VO: Soumi Ghosh
Edit: Monojit Malakar

গুয়াহাটি: আইনের সুযোগ নিয়ে এক ব্যক্তির বারবার বিবাহ। তাতে বাড়ছে জনসংখ্যা সমস্যাও। তা নিয়ে উদ্বিগ্ন অসম (Assam Government) সরকার। এবার তারা অভিনব উদ্যোগ নিতে চলেছে। অসমে বহু বিবাহ বন্ধে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এর জন্য বিশেষজ্ঞ কমিটি (expert committee) গঠন করার উদ্যোগ। এর বৈধতা খতিয়ে দেখা হবে। জানিয়েছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী (Assam CM) হিমন্ত বিশ্বশর্মা (Chief Minister Himanta Biswa Sarma)। অসমে নাবালিকা বিয়ের (child marriages) ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে, অনেক বয়স্ক মানুষ একাধিকবার বিয়ে করেছেন। তার মধ্যে নাবালিকাও রয়েছে। এই বহু বিবাহ বন্ধ করা হবে সবার ঐক্যমত্যের ভিত্তিতে। কোনও চাপিয়ে দেওয়া সিদ্ধান্ত নয়। 

মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা বলেন, অসম সরকার উদ্যোগ নেবে বহুবিবাহের অনুশীলন বন্ধ করতে । আইন মাফিক এটা করা হবে। গুয়াহাটিতে সরকারের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তিতে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গড়া হবে। তারা আইনি প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখবে। বিশেষজ্ঞ, স্কলার মুসলিম পার্সোনাল ল (শরিয়ত) আইন ১৯৩৭ ও ভারতের সংবিধানের ২৫ নম্বর ধারা খতিয়ে দেখবে। তিনি বলেন, বুদ্ধিজীবীদের মত নেওয়া হবে, ইসলাম বিষয়ক বিদগ্ধজনের মত নেওয়া হবে। এটা সার্বিক ঐক্যমত্যের ভিত্তিতে করা হবে। নাবালিকার বিয়ে বন্ধ করা শুধু সমাধান নয়, বহু বিবাহ বন্ধ করাটাও জরুরি। অসমের মুখ্যমন্ত্রী  আরও বলেন, নাবালিকার বিয়ের বিরুদ্ধে সরকার একইভাবে কঠোর থাকবে। 

কর্ণাটক বিধানসভা নির্বাচনের (Karnataka assembly elections) জন্য সম্প্রতি একটি প্রচারে শর্মা ব্যাট করেছিলেন যাতে ইউনিফর্ম সিভিল কোড বা অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (Uniform Civil Code) চালু হয়। সেখানে মুসলিম মহিলাদের সমানাধিকার থাকুক। এমনটাই চান তিনি। একটি মিছিলে তিনি দাবি করেছিলেন, ওই সম্প্রদায়ের পুরুষরা চার বার বিয়ে করতে পারেন। তাতে দেখা যাচ্ছে মহিলারা শিশু জন্ম দেওয়ার যন্ত্রে (child-producing machines) পরিণত হচ্ছে।  গুয়াহাটিতে শর্মা বলেন, অভিন্ন দেওয়ানি বিধির জন্য জাতীয় ঐক্যমত্যের প্রয়োজন (national consensus is required)। আমরা ঘোষণা করছি, বহু বিবাহ বন্ধ (married multiple times) করা অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু করার একটি উপাদান। শিক্ষিত মানুষদের মধ্যে অবশ্য এটি কম পরিমাণে দেখা যায়।  মূলত বরাক উপত্যকা, হোজাই, যমুনামুখ এলাকায় এটি বেশি দেখা যায়। এমনটাই সেখানকার সরকারের তথ্যে উঠে এসেছে।