Placeholder canvas
কলকাতা মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ |
K:T:V Clock

Weather Updates | বৈশাখে উধাও কালবৈশাখী, চাতকের মতো চেয়ে চেয়ে কাটছে রুদ্রদিন

Updated : 24 Apr, 2023 2:30 PM
AE: Hasibul Molla
VO: Soumi Ghosh
Edit: Monojit Malakar


কলকাতা: উত্তরবঙ্গে শিলাবৃষ্টি (Hailstorm) আর দক্ষিণবঙ্গে ঝড়বৃষ্টির (Storm and Rain) পূর্বাভাস দিল আলিপুর আবহাওয়া দফতর (Weather Office)। আজ, সোমবার কালবৈশাখীর মতো পরিস্থিতি হতে পারে দক্ষিণবঙ্গের কিছু এলাকায়। বুধবার থেকে ফের বাড়বে তাপমাত্রা। উত্তরবঙ্গের (North Bengal) সব জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা। সঙ্গে ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে দমকা ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, জলপাইগুড়িতে আগামিকাল বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির সঙ্গে শিলাবৃষ্টির সতর্কতা। ৫০ কিলোমিটার গতিবেগে দমকা ঝোড়ো হাওয়া বইবে উত্তরের এই পাঁচ জেলাতে। মঙ্গলবার কার্যত দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার পূর্বাভাস উত্তরবঙ্গের উপরের দিকের জেলাগুলিতে।

আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার পর্যন্ত সব জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা। বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির সঙ্গে সঙ্গে ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার গতিবেগে দমকা ঝোড়ো হাওয়া বইবে। উপরের দিকের পাঁচ জেলা দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার ও জলপাইগুড়িতে বৃষ্টি বেশি হওয়ার সম্ভাবনা।

দক্ষিণবঙ্গে (South Bengal) বজ্রবিদ্যুৎ সহ হালকা মাঝারি বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাতের আশঙ্কাও থাকছে। মঙ্গলবার পর্যন্ত এই পরিস্থিতি থাকবে বলে অনুমান আবহাওয়াবিদদের। বুধবারেও হালকা বৃষ্টি হতে পারে উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব-পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রাম জেলাতে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি। দু-এক জায়গায় কালবৈশাখীর মতো পরিস্থিতি হতে পারে। সব জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি। দমকা ঝোড়ো হাওয়া ৩০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে বইতে পারে। বুধবার থেকে তাপমাত্রা বাড়তে পারে বলে অনুমান আবহাওয়াবিদদের। পরবর্তী দুদিনে তিন ডিগ্রি তাপমাত্রা বাড়তে পারে বলে অনুমান আবহাওয়াবিদদের।

কলকাতায় (Kolkata) বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে। বৃষ্টির সঙ্গে দমকা ঝোড়ো হাওয়া বইবে। কালবৈশাখীর মতো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বিকেল বা  সন্ধ্যার দিকে। সকালে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৫.৭ ডিগ্রি। গতকাল সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৩.৮ ডিগ্রি। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ গত ২৪ ঘন্টায় ছিল ৪১ থেকে ৮২ শতাংশ।