Placeholder canvas
কলকাতা সোমবার, ০৪ মার্চ ২০২৪ |
K:T:V Clock

Aliah University | এবার আলিয়ায় অস্থায়ী উপাচার্য প্রাক্তন আইপিএস

Updated : 22 Jul, 2023 9:05 PM
AE: Abhijit Roy
VO: Rachana Mandol
Edit: Silpika Chatterjee

কলকাতা: প্রাক্তন বিচারপতির পর এবার প্রাক্তন আইপিএস অফিসার বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্বে। কেরালা ক্যাডারের প্রাক্তন আইপিএস এম ওয়াহাবকে আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (Aliah University) অস্থায়ী উপাচার্য পদে  নিয়োগ করলেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস। আগামী ২৬ জুলাই তিনি আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী উপাচার্য পদের দায়িত্বভার গ্রহণ করবেন । এর আগে কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি ও কর্ণাটক হাইকোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি শুভ্রকমল মুখোপাধ্যায়কে রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য করেন।

কিছুদিন আগে রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্বর্তী উপাচার্য হিসাবে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি শুভ্রকমল মুখোপাধ্যায়কে নিয়োগ করেছেন রাজ্যপাল তথা আচার্য সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। যা নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে উঠে ছিল শিক্ষামহলে। এবার অবসরপ্রাপ্ত আইপিএসকে ভিসি বানালেন বোস। রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধানের মুখে শোনা গিয়েছিল অ্যাকশন হবে। রাজনৈতিক মহলের মতে এই কথার প্রতিফলনই হল রাজ্যের মতে বিরুদ্ধে গিয়ে একের পর এক সিদ্ধান্ত। এবার আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পেলেন অবসরপ্রাপ্ত আইপিএস এম ওয়াহব। যা নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন চর্চা। এম ওয়াহাব (Abu Taher Kamruddin) জানিয়েছেন, তাঁর সম্মতি নিয়েই তাঁকে এই পদে নিয়োগ করেছেন আচার্য।  আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার সৈয়দ নুরুস সালাম জানিয়েছেন, ওয়াহাব আগামী সপ্তাহে দায়িত্ব নিতে পারেন।

রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের (Rabindra Bharati University) প্রাক্তন উপাচার্য তথা শিক্ষাবিদ পবিত্র সরকারের কথায়,  বুঝতে পারছি না। ব্যাপারটা কেমন যেন ‘হবুচন্দ্র রাজার গবুচন্দ্র মন্ত্রী’র মতো হয়ে যাচ্ছে। আইপিএস হলেই অযোগ্য হবে বলছি না। কিন্তু, উপাচার্য হচ্ছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক ও অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ প্রধান।  ফলে, তাঁর অ্যাকাডেমিক প্রধান হওয়ার যোগ্যতা আছে কি না, তাও জানি না।

বেশ কয়েক মাস ধরে উপাচার্য হীন হয়ে ছিল বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়। রাজ্যপাল শিক্ষা দফতরের সঙ্গে কোনও রকমের আলোচনায় না গিয়ে বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য নিয়েগ করনে। এরপরই রাজভবন ও নবান্নের সংঘআত চরমে পৌছায়। জল কলকাতা হাইকোর্টে পর্যন্ত গড়ায়। রাজ্যকে সেখান থেকেই খালি হাতে ফিরতে হয়। আদালত জানিয়ে দেয় উপাচার্য নিয়োগ বৈধ ও তাদের বেতন বন্ধ করা যাবে না।